ইন্টারনেট ,বর্তমান সময়ের এমন একটা মধ্যাম যেটাকে ছাড়া এক মুহুতেও
মানুষ কিছুই চিন্তা করতে পারে না । ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা মেইল পাঠাচ্ছি এক
স্থান থেকে অন্য স্থানে ,কথা বলছি এমনকি এই মাধ্যমের মাধ্যমে এখন আমাদের ব্যাংকিং
সিস্টেম হয়ে গেছে অনলাইনে।
কিন্তু এই মাধ্যমটি আসলো কিভাবে আমাদের মাঝে যার জন্য আমাদের আজকের
সবকিছু সহজতর হয়ে উঠেছে । জানতে হলে আমাদেরকে পিছাতে হবে প্রায় আজ থেকে ৬০ বছর আগে
।সম্ভাবত সালটি ছিল ১৯৫৭। যখন কম্পিউটারকে একটি করে ডাটা পাঠানো হত, আর সে সেটা
প্রসেস করতে ।এই সিস্টেমটিকে বলা হত Base Processing system.তারপর যখন কম্পিউটারটি অধিকতর বড় করা হলো
তখন তারা ডাটা স্টোর এর জন্য একটি কোলেড রুম বানালো কিন্তু তারপর ও ডেভলাপারগন
সরাসরি কোন কাজ করতে পারতেন না ,ঐ সময় স্পেসালিস্টদের জরুরি তলব করা হলো এবং বলা
হলো তাদেরকে সরাসরি কানেক্ট করে দেওয়ার জন্য।কারন ইনডাইরেক্ট কানেকশন এর জন্য
প্রোগ্রাম এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়া ,ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি সব মিলিয়ে
প্রোগ্রামারগন বিচলিত হয়ে যেত ।
এই বড় সমস্যার এক বিশাল পরিবর্তন আসলো যখন ১৯৫৭ প্রথম রিমোট ডেক্সটপ
কানেকশন আসলো।প্রোগ্রামার গন তখন সরাসারি কাজ করতে পারতো এই সিস্টেম ব্যাবহার করে । ঠিক তখন তাদের মাথায় আসে টাইম শেয়ারিং এর চিন্তা ,এটাই ছিল
কম্পিউটারের টেকনোলেজিকে এগিয়ে নেওয়ার আরেকটি ধাপ যে তারা একটি কম্পিউটারের
প্রসেসিং সিস্টেমকে একই সময়ে মাল্টিপল ব্যবহারকারি দ্বারা ব্যাবহার করতে পারছে।সময়টা ভালোই যাচ্ছিলো।
এরপরের বিষয়টা ছিলো ১৯৫৭ সালে ৪র্থ কোল্ড যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে ।যখন সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্তিত প্রথম মানুষবিহীন স্যাটালাইট স্পুটনিক-১ কক্ষপাতে পাঠানো হলো ,কিন্তু এই বিশয়টি শির্ষ্য দেশগুলোর মনে মনে ভৃতি তৈরি হলো বড় কোন আক্রমের হুমকি সরুপ । তাই ১৯৫৮ সালে সম্ভাবত আমেরিকা তার দেশকে রক্ষা করার জন্য তৈরি করলো DARPA(Defense Advanced
Research Projects Agency)
ঠিক ঐ সময়ে গুরুতপুর্ন তথ্য আদান প্রদানের জন্য সাধারনত মানুষকে
ব্যাবহার করা হতো।তখন DARPA একটি বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করলো তথ্য
আদান প্রদানের জন্য ,যার নাম ছিলো ARPANET. Arpanet এর সাথে আরো তিনটি বিষয় জরিত ছিলো ১।RAND CORPARATION(আমেরিকার সেনাবাহীনি নেটওয়ার্ক)২।NPL(ইংল্যান্ডের
কমার্শিয়াল নেটওয়ার্ক) ৩।Cyclades(ফ্রান্সের সাইন্টিফিক গ্রুপ )।এই তিনটি বিষয় এর উপর ভিত্তি করে মুলত আমাদের
এই আধুনিক ইন্টারনেট তৈরি ।
শুরু করা যাক Arpanet দিয়ে। ১৯৬৬ সালে ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের
কম্পিউটার শেয়ারিং এর বিষয়ে খুবই সতর্ক ছিলো তাই তারা ছোট কম্পিউটারকে মেইনফ্রেম কম্পিউটারের
পাশাপাসি বা সামনে রাখতো ।ছোট কম্পিউটারকে বলা হতো IMS(Interface message
processor ) এটি
সেখানে থাকা সব কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক সক্রিয়তাকে নিয়ন্ত্রন করতো,যেখানে মেইনফ্রেম
শুধু প্রোগ্রাম ইন্সটালেশন ও ডাটা প্রদানের কাজ করতো ।কিন্তু imp একয় সময়ে
মেইনফ্রেমের ইন্টারফেস হিসাবেও কাজ করতো এখানেই পরস্পরের উপর একটি কানেকশন তৈরি
হতো যেটাকে বলা হত IMP-SUBNET .তখন নেটওয়ার্ক ডেভলাপাররা প্রথম দুটি কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ডেভলাপ
করলো এবং ডেভলাপকৃত নেটওয়ার্কের নাম দিলো NCL(Network
control protocol) যা বর্তমানে TCP(Transmission Control Protocol) নামে পরিচিত .আর এই স্পেশাল ফিচার
(tcp) ফাইল
ট্রান্সফারের ভেরিফিকেশন হিসাবে কাজ করত।
এখন ছোট একটা বাক নিয়ে যদি আমরা ইংল্যান্ডের(Npl)কমার্শিয়াল নেটওয়ার্কে লক্ষ করি ,তাহলে দেখা যায় ওদের অনেক কর্মি ছিলো
এবং একয় সাথে ওদের সব কর্মি ফাইল ট্রান্সফার ও করতে পারতো ।কিন্তু যখন অনেকগুলো
ফাইল একই লাইনে যাওয়া আসা করছে তখন সেখানে একটা গারবেজ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো
তাই তারা এই গারবেজকে এরিয়ে চলার জন্য ট্রান্সফারকৃত ফাইলগুলোকে ভেঙ্গে ভেঙ্গে পাঠাতে লাগলো এবং এই
ফাইলগুলো যখন আবার রিসিভারে পোছাতো তখন কমপ্লিট ফাইলে পরিনিত হতো(it’s
called packet switching ) । এই বিষয় থেকে জন্ম হয়েছিলো প্যাকেট সুইচিং সিস্টেমের ।
এবারের গল্পটা ছিলো ১৯৬২সালে যখন
আমেরিকার বিবান বাইনী আবিষ্কার করলো
কিউবার মাঝামাঝি বিশাল দূরত অতিক্রমকারি কিছু মিসাইল যেটা ইউনাইটেড ষ্টেট
পর্যন্ত যেতে সক্ষম ।ভৃতি তৈরি হলো পারমাণবিক কোন সংঘাতের।তখন তাদের ইনফরমেশন টেকনোজের
ডেভলাপারগন একটি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার তৈরি করলো আক্রমনের আগে যেন মিসাইল ধ্বংস
করা যায় ।এখানে মূল কেন্দ্রকে মিশিয়ে দিতে নিজেরাও আরেকটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলে
,কেন্দ্র হলো দুটী ।কিন্তু বিষয়টা যেভাবে ভেবে নেওয়া হয়েছিলো ঠিক ততোটা সহজ ছিলো
না।আজ এখনো আমাদের কমিউনিকেশন ব্যবস্তা এখনো রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করছে আমাদের কাজের জন্য
।কিন্ত রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করলে সঠিক নির্দেশনায় পাঠানো সম্ভব ছিলো না ।তাই তারা
একবারে ডাইরেক্ট ওয়েভ ব্যাবহার করে বেশী
দুরতে পাঠানোর কথা চিন্তা করলো কিন্তু ফিজিক্স লক্ষ করলে এটাও সম্ভব ছিলো না কারন
এক সময় এর গতি কমে আসবে সেক্ষেতে টার্গেটে পোছানো সম্ভব হচ্ছিলো না ।তখন
ডেভলাপারদের মাথায় আসে ডিস্টিবিউটেড নেটওয়ার্ক এর কথা যেটা
এই সমস্যার মুখ্য
সমাধান হতে পারে আর এই ডিস্টিবিউশনের ফরমুলা তারা ফ্রান্সের Cyclades কোম্পানি থেকে পায় ।সাইন্টিফিক
প্রতিষ্টানটি সম্ভাবত এই ফরমুলা তাদের কোন
একটি গবেষনা বা কোন কমিউনিকেশন জন্য ব্যবহার করতো, বলা হয় এরায় প্রথম হোস্ট সিস্টেম
চালু করে আর এই বিষয়টা নজরে পরে ডেভলাপারদের।এখান থেকেই জন্ম নেয় আমাদের এই আধুনিক
ইন্টারনেট পথ
......(অসমাপ্ত) ...it’s a long process by the way
ইন্টারনেটের জন্ম কিভাবে হলো ,আমরা জানি তো......???
Reviewed by Unknown
on
11:39 PM
Rating:
Reviewed by Unknown
on
11:39 PM
Rating:



অনেক অজানা তথ্য জানা হল ।ধন্যবাদ ।
ReplyDeleteইংরেজি গ্রামার বাংলায় শেখার এক মজার ওয়েবসাইট ।